গাড়ী চলছে তো চলছেই প্রেমদের মনের অবস্থা তেমন ভাল নাই। তাই হটাৎ করে মনে পরে গেলো সেই মেয়েটির কথা। যার মোবাইল নং নিছিলো সামামি ভাইয়ের কাছ থেকে। হৃদয়ের থেকে মোবাইল নিয়ে সেই মেয়েটি কে একটা কল দিল।
ফুলঃ হ্যালো!!! কে বলছেন?
প্রেমঃ হ্যালো!!! আপনে আমাকে চিনবেন না, আমি আপনাকে চিনি।
ফুলঃ হতে পারে, কিন্তু আপনার নামটা জানতে পারি?
প্রেমঃ আমার নাম প্রেম।
ফুলঃ আচ্ছা আপনে আমার মোবাইল নং কোথাই পেলেন?
প্রেমঃ যে ভাবেই হোক পাইছি। ধন্যবাদ আপনার সংগে কথা বলে অনেক ভাল লাগলো। এখন তাহলে রাখি পরে আবার কথা হবে। বাই
ফুলঃ বাই!
ফুলঃ হ্যালো!!! কে বলছেন?
প্রেমঃ হ্যালো!!! আপনে আমাকে চিনবেন না, আমি আপনাকে চিনি।
ফুলঃ হতে পারে, কিন্তু আপনার নামটা জানতে পারি?
প্রেমঃ আমার নাম প্রেম।
ফুলঃ আচ্ছা আপনে আমার মোবাইল নং কোথাই পেলেন?
প্রেমঃ যে ভাবেই হোক পাইছি। ধন্যবাদ আপনার সংগে কথা বলে অনেক ভাল লাগলো। এখন তাহলে রাখি পরে আবার কথা হবে। বাই
ফুলঃ বাই!
এভাবেই তাদের প্রথম দিনের কথাকপথন শেষ হলো।
ও আর একটা কথা বলতে তো ভুলেই গেছি :p
প্রেম আর হৃদয়ের একটা নিশা আছে সেইটা হলো মোবাইল সিমের ওয়েলকাম টোন সেট করা। তাদের সিমে শতাধিকের বেশি ওয়েলকাম টোন থাকে। তাই এর শুবাদে অনেক মেয়েদের সাথে ঘুনিস্ট ছিল। মেয়েরা তাদের মোবাইলে কল দিয়ে গান শুনতো। তাদের মধ্যে একটা মেয়ে ছিল যাকে ফ্যামিলি গতো আপু বানিয়ে ছিলো প্রেম। মাঝে মাঝে তারা কথা বলো ফোনে।
কিছু দিন থেকে ফুল নামে সেই মেয়েটাও প্রেমের মোবাইলে কল দিয়ে গান শুনতো।
প্রেম আর হৃদয়ের একটা নিশা আছে সেইটা হলো মোবাইল সিমের ওয়েলকাম টোন সেট করা। তাদের সিমে শতাধিকের বেশি ওয়েলকাম টোন থাকে। তাই এর শুবাদে অনেক মেয়েদের সাথে ঘুনিস্ট ছিল। মেয়েরা তাদের মোবাইলে কল দিয়ে গান শুনতো। তাদের মধ্যে একটা মেয়ে ছিল যাকে ফ্যামিলি গতো আপু বানিয়ে ছিলো প্রেম। মাঝে মাঝে তারা কথা বলো ফোনে।
কিছু দিন থেকে ফুল নামে সেই মেয়েটাও প্রেমের মোবাইলে কল দিয়ে গান শুনতো।
এভাবেই চলতে থাকে প্রেমের জীবন তার মদ্ধে দির্ঘকালিন ছুটি অনেক মজাই আছে প্রেম।
হটাৎ এক দিন সেই আপু প্রেমের কাছে কল দিয়ে বলে কাল নাকি তার ভাগিনীর মেয়ের জন্ম দিন তাই তারা প্রেমকে দাওয়াত দিয়েছে। তাকে যেতেই হবে।
প্রেম রাজি হয়ে গেলো। কারন সে আগে জানতে পেরে ছিলো যেন ফুল আপুর খালাতো বোন হয়। তাই প্রেমের আরো আগ্রহ বেরে গেলো।
তাই সন্ধার একটু আগে ফুল কে কল করলো প্রেম।
প্রেমঃ হ্যালো!!!
ফুলঃ হ্যালো, আপনে কেমন আছেন?
প্রেমঃ ভালো। আপনে কেমন আছেন?
ফুলঃ ভালো। কিন্তু হটাৎ করে কল দিলেন যে?
প্রেমঃ হুম। কারন আমি আপনাকে একটা গুড নিউজ দিবো। আজ রাতে আপনার সাথে আমার সাক্ষাৎ হবে।
ফুলঃ কিভাবে?
প্রেমঃ পরেই দেখতে পাবেন। বাই
ফুলঃ ওকে বাই।
প্রেম রাজি হয়ে গেলো। কারন সে আগে জানতে পেরে ছিলো যেন ফুল আপুর খালাতো বোন হয়। তাই প্রেমের আরো আগ্রহ বেরে গেলো।
তাই সন্ধার একটু আগে ফুল কে কল করলো প্রেম।
প্রেমঃ হ্যালো!!!
ফুলঃ হ্যালো, আপনে কেমন আছেন?
প্রেমঃ ভালো। আপনে কেমন আছেন?
ফুলঃ ভালো। কিন্তু হটাৎ করে কল দিলেন যে?
প্রেমঃ হুম। কারন আমি আপনাকে একটা গুড নিউজ দিবো। আজ রাতে আপনার সাথে আমার সাক্ষাৎ হবে।
ফুলঃ কিভাবে?
প্রেমঃ পরেই দেখতে পাবেন। বাই
ফুলঃ ওকে বাই।
কথা বলা শেষ করে সেও তার ছোট ভাই নাহিদ কে নিয়ে অনুস্টানে উপস্থিত হলো। অনুস্টানের সবাই তাদের দেখে অনেক খুশি হলো। কারন তারা প্রেমকে আগে দেখে নাই। আসলে প্রেম কিছুটা হলেও Handsome ছিল তাই। সবাই অনেক ভালবাসলো। বিভিন্ন কাজে কথাই আডাই রাত হয়ে গেল ফুলও সেখানে উপস্থিত হলো। কিন্তু প্রেমকে চিনতে পারলো না। কিন্তু প্রেম একটু চালাক ছিলো তাই সে ঠিকিই চিনতে পারলো এই মেয়েটাই ফুল। যাক কিছুক্ষনের মধ্যে তারা তাদের নিজেদের মদ্ধে পরিচিত হলো। এবং বিভিন্ন কথাকপথনের মদ্ধে দিয়ে তারা রাত শেষ করলো। কিন্তু এর মদ্ধেই যে দু'জনে দু'জনকে ভালবাসে ফেলেছে। কিন্তু কেউ কাউকে কিছু বললো না। সকালে প্রেম ঘুম থেকে উঠে আপুর কাছে জানতে চাইলো ফুল কোথাই? আপু বললো সে কলেজে গেছে। তাই এই সুযোগে প্রেম ফুলের মোবাইলে ম্যাসেজ দিলো।
"ফুল যে কথাটা বলবো বলে রাতে বলা হয় নাই। জানি না তুমি কি মনে করবে? আসলে প্রথম দিন তোমাকে দেখেই ভালবাসে ফেলছি, কিন্তু তোমাকে বলতে পারি নাই। এখন তোমার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম " ইতি প্রেম।
"ফুল যে কথাটা বলবো বলে রাতে বলা হয় নাই। জানি না তুমি কি মনে করবে? আসলে প্রথম দিন তোমাকে দেখেই ভালবাসে ফেলছি, কিন্তু তোমাকে বলতে পারি নাই। এখন তোমার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম " ইতি প্রেম।
কিন্তু উত্তরে সে বলো, সে নাকি ছেলেদের লাইক করে না।
কিন্তু প্রেমও নাছোর বান্দা সে হাল ছারলো না। অনুস্টান শেষ করে বাসায় ফিরে এসে মেয়েটার জন্য কেমন কেমন লাগতেছে। এর নাম কি প্রেম/ভালবাসা? মনে হচ্ছে যেন তার রাতের ঘুম হারাম করে দিছে মেয়েটা। এখন রাত ১২.৩০ মিনিট। মেয়েটার ফোনে কল দিলো।
প্রেমঃ হ্যালো!!! ফুল কেমন আছো?
ফুলঃ হ্যালো! ভালো। কিন্তু এতো রাতে আপনে কেন কল দিছেন?
প্রেমঃ কানো কল দিছি তুমি ভালো করে জানো!
ফুলঃ আমি তো আপনাকে আগেই বলে দিছি।
প্রেমঃ আমি তোমাকে অনেক ভালবসি।
ফুলঃ ওকে আমি ভেবে দেখবো।
প্রেমঃ কতো ঘন্টা সময় চাও তুমি?
ফুলঃ ৬মাস
প্রেমঃ না! মাত্র ৩ দিন সময় দিলাম।
ফুলঃ ওকে! বাই
প্রেমঃ বাই।
কিন্তু প্রেমও নাছোর বান্দা সে হাল ছারলো না। অনুস্টান শেষ করে বাসায় ফিরে এসে মেয়েটার জন্য কেমন কেমন লাগতেছে। এর নাম কি প্রেম/ভালবাসা? মনে হচ্ছে যেন তার রাতের ঘুম হারাম করে দিছে মেয়েটা। এখন রাত ১২.৩০ মিনিট। মেয়েটার ফোনে কল দিলো।
প্রেমঃ হ্যালো!!! ফুল কেমন আছো?
ফুলঃ হ্যালো! ভালো। কিন্তু এতো রাতে আপনে কেন কল দিছেন?
প্রেমঃ কানো কল দিছি তুমি ভালো করে জানো!
ফুলঃ আমি তো আপনাকে আগেই বলে দিছি।
প্রেমঃ আমি তোমাকে অনেক ভালবসি।
ফুলঃ ওকে আমি ভেবে দেখবো।
প্রেমঃ কতো ঘন্টা সময় চাও তুমি?
ফুলঃ ৬মাস
প্রেমঃ না! মাত্র ৩ দিন সময় দিলাম।
ফুলঃ ওকে! বাই
প্রেমঃ বাই।
প্রতি দিন ফুলের সাথে কথা হতছে। আর বিষনতাই ভুগতেছে। তিন দিন পর ফুলের থেকে হ্যা উত্তর টা পেয়ে গেলো। প্রেমের আর খুশি ধরে না। তাই সকল বেস্ট ফ্রেডের সাথে পাটি দিলো।
এভাবেই প্রেম আর ফুলের নতুন প্রেমের কলি ফুটলো তার তারা নাম দিলো "প্রেমের ফুল"
এর মধ্যে প্রেমের রেজাল্ট হলো কিন্তু তার রেজাল্ট তেমন ভালো হলো না। তাই সে নিজে নিজে পড়াশুনা বন্ধ করে দিলো। কিন্তু নিয়মিত ফুলের সাথে দেখা হতো। তাদের সাক্ষাত হতো রেল লাইনের পাশে। তারা একে অপরের হাত ধরে রেল লাইনের উপরের দিয়ে হেটে বেড়াতো। প্রতি রাতে তারা ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতো রাত জাগা পাখি হয়ে।
মাঝে মাঝে রাগ অভিমানে যেন তাদের প্রেম অনেক গভীরে চলে গেলো। প্রতি নিয়োত তারা একে অপরকে ভুলে থাকতে পারতো না। মনে হয় যেন দুইটি দেহে একটি আত্তা। এর নাম কি ভালবাসা এর নাম কি প্রেম। এভাবেই প্রেম আর ফুলের ভালবাসার (love story) চলতে থাকে।
মাঝে মাঝে রাগ অভিমানে যেন তাদের প্রেম অনেক গভীরে চলে গেলো। প্রতি নিয়োত তারা একে অপরকে ভুলে থাকতে পারতো না। মনে হয় যেন দুইটি দেহে একটি আত্তা। এর নাম কি ভালবাসা এর নাম কি প্রেম। এভাবেই প্রেম আর ফুলের ভালবাসার (love story) চলতে থাকে।
অনেক দিন প্রায় ২বছরের মতো হলো প্রেম বেকার এখন বাবা মার কাছে কেমন যেন হয়ে গেছে। বাবা রাগে অভিমানে কষ্টে প্রেমের আর ঠিক মতো কথা বলে না। বাবার মন তো তাই ছেলের এই অবস্থাতে তিনার মনে শান্তি নাই। একটা কথা বলে না অভাবে নাকি সভাব নষ্ট। বেকার থাকলে শয়তানের ভর করে। তাই প্রেমে পথভ্রষ্ট হয়ে যাতছে দেখে তার পরিবার সিধান্ত নিলো যে, প্রেম কে বিদেশে পাঠিয়ে দিবে।
যেই কথা সেই কাজ চলতে লাগলো প্রেমের বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি। একের পর এক ডেলিগেট দিতে থাকে সে। কিন্তু কিছুতেই পাশ করে না প্রেম। প্রেমের মনে যেন একটা অজানা জেদ উঠলো। তাই শেষে সিধান্ত নিলো সে মালয়েশিয়া যাবে। তাই তার দালাল কে বললো তাকে যেন ৩ মাসের মধ্যে মালয়েশিয়া পাঠানো হয়। দালাল রাজি হয়ে গেলো। শুরু হলো মালয়েশিয়ান অভিজান।
এদিকে লাইলি-মজনু শিরি-ফরহাদের ন্যাই প্রেম চলতেছে প্রেম আর ফুলের ভালবাসা। দেখতে দেখতে কেন জানি চলে গেলো তাদের প্রেমের ২বছর হয়ে গেলো। ফুল প্রেম এতোটাই ভালবাসতো যে কিছুতেই প্রেম কে প্রাবাসে যেতে দিতে চাচ্ছে না। কি আর করার বেকার জীবনে প্রেম-ভালবাসা লবনহীন তরকারীর মত তাছাড়া ফুল ও বেশ কয়েক বার প্রেমকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করে। এইতো সেই দিন, প্রেমের খুব টাকার দরকার বেশি নয় মাত্র ২০০ টাকার মত কিন্তু বেকার জীবনে এইটাই অনেক বেশি টাকা। তাছাড়াও প্রেমের বাড়ি থেকে বেকার ছেলেকে টাকা দাই না। তাই প্রেম বাধ্য হয়ে ফুলকে বললো। ফুল বলো এটা কোন ব্যাপার না। আমি কালকেই তোমাকে টাকা দিবো। তুমি এসে নিয়ে যাইয়ো। পরের দিন প্রেম গিয়ে টাকা নিয়ে নিজের কাজ সাড়ে। কিন্তু পরে প্রেম জনতে পারে যে ফুল যে টাকাটা দিছিলো, সেই টাকা ছিলো ফুলের ওসুদ কিনার টাকা ছিলো। কিন্তু যখন প্রেম এই বিষয়টা জানতে পারে তখন তার দুর্ভাগ্য যে sorry টা ও বলতে পারে নাই। যাই হোক এই সব কথা পরে বলা যাবে।
আজ শুনিবার প্রেমের ছোট খালার বাসার কাছে ওয়াজ মাহিফিল, প্রেমদের বাড়ির সবার দাওয়াত। তাই সন্ধার একটু আগেই সবাই খালাদের বাসাই চলে গেলো। অনেক মজাই হচ্ছে কিন্তু তারি আঝে বেজে উঠলো।
প্রেমঃ হ্যালো! কে?
আমি রসিদ (দালাল)
প্রেমঃ কি ব্যাপার ভাইয়া এতো রাতে আপনে কল দিলেন?
দালালঃ কালকেই তোমাকে ঢাকাই যেতে হবে। রেডি থাকো।
প্রেমঃ ওকে।
প্রেমঃ হ্যালো! কে?
আমি রসিদ (দালাল)
প্রেমঃ কি ব্যাপার ভাইয়া এতো রাতে আপনে কল দিলেন?
দালালঃ কালকেই তোমাকে ঢাকাই যেতে হবে। রেডি থাকো।
প্রেমঃ ওকে।
পরের দিন প্রেম ঢাকার সব কাজ শেষ করে আসলো। ওরা বললো যতো সম্ভব খুব তারাতারি তোমার ফ্লাইট। রেডি থাকো।
এবার প্রেম দেরি না করে সকল আত্তিয় সজন দের কাজ থেকে এক এক করে বিদায় নিতে থাকে।
পর্যাক্রমে গেলো ফুলের কাছে বিদাই নিতে, তারা দু'জনেই হাতে হাত ধরে রেল লাইনের উপর দিয়ে চলতে থাকে। তাদের কাছে মনে হয় এই পথ যেন শেষ না হয়ে। হটাৎ করে প্রেম বললো
প্রেমঃ ফুল তুমি কি কিছু বলবে না?
ফুলঃ তুমি কি আমাকে না দেখে থাকতে পারবে?
প্রেমঃ জানি না! তুমি?
ফুল প্রেমের বুকে মাথা গুঁজে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে বললো আমি তোমাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি ভালবাসি। তুমি আমাকে ভুলে যাবে না তো? তুমি কতো দিন পরে আবার আমার কাছে ফিরে আসবে?
প্রেমঃ মাত্র ৫বছর সোনা পাখি।
ফুল আর কোন কথা না বলে প্রেমের বুকে মাথা দিয়ে বসে থাকে। বিকেল ঘুনিয়ে সন্ধা হয়ে গেলো। তাই প্রেম আর দেরি না করে বললো। সোনা পাখি এবার তাহলে বিদাই দাও আমাকে। আর একটা কথা সোনা তুমি তো আমাকে ভুলে যাবে না? মাত্র ৫টি বছর অপেক্ষা করতে পারবে না পাখি?
ফুল কাঁদতে কাঁদতে বলে আমি তোমার জন্য সারা জীবন অপেক্ষা করতে পারি। তুমি দেখো!!!
আচ্ছা এবার তাহলে আমি আসি সোনা পাখি? এই বলে প্রেম বিদাই নিলো ফুলের কাছ থেকে ৫বছরের প্রতিসৃতি নিয়ে। আর ফুলকে একটা সিডি ডিক্স দিলো যাতে প্রেম আর ফুলের ছবি দিয়ে ইডেটিং করা আছে। যা দেখলেই প্রেমের কথা মনে পরবে। ফুল বিদাই বেলা প্রেমের হাতে একটা চিঠি দিয়ে বললো এইটা রাখ! আমার মনের কথা যা বলতে পারলাম না। পরে সময় করে পড়ে নিও।
পর্যাক্রমে গেলো ফুলের কাছে বিদাই নিতে, তারা দু'জনেই হাতে হাত ধরে রেল লাইনের উপর দিয়ে চলতে থাকে। তাদের কাছে মনে হয় এই পথ যেন শেষ না হয়ে। হটাৎ করে প্রেম বললো
প্রেমঃ ফুল তুমি কি কিছু বলবে না?
ফুলঃ তুমি কি আমাকে না দেখে থাকতে পারবে?
প্রেমঃ জানি না! তুমি?
ফুল প্রেমের বুকে মাথা গুঁজে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে বললো আমি তোমাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি ভালবাসি। তুমি আমাকে ভুলে যাবে না তো? তুমি কতো দিন পরে আবার আমার কাছে ফিরে আসবে?
প্রেমঃ মাত্র ৫বছর সোনা পাখি।
ফুল আর কোন কথা না বলে প্রেমের বুকে মাথা দিয়ে বসে থাকে। বিকেল ঘুনিয়ে সন্ধা হয়ে গেলো। তাই প্রেম আর দেরি না করে বললো। সোনা পাখি এবার তাহলে বিদাই দাও আমাকে। আর একটা কথা সোনা তুমি তো আমাকে ভুলে যাবে না? মাত্র ৫টি বছর অপেক্ষা করতে পারবে না পাখি?
ফুল কাঁদতে কাঁদতে বলে আমি তোমার জন্য সারা জীবন অপেক্ষা করতে পারি। তুমি দেখো!!!
আচ্ছা এবার তাহলে আমি আসি সোনা পাখি? এই বলে প্রেম বিদাই নিলো ফুলের কাছ থেকে ৫বছরের প্রতিসৃতি নিয়ে। আর ফুলকে একটা সিডি ডিক্স দিলো যাতে প্রেম আর ফুলের ছবি দিয়ে ইডেটিং করা আছে। যা দেখলেই প্রেমের কথা মনে পরবে। ফুল বিদাই বেলা প্রেমের হাতে একটা চিঠি দিয়ে বললো এইটা রাখ! আমার মনের কথা যা বলতে পারলাম না। পরে সময় করে পড়ে নিও।
ফুলের কাছে বিদাই নিয়ে বাসাই ফিরে প্রেম শুনতে পেলো যে আগামী শুকুরবারে তার ফ্লাইট। তাই যতো তারাতারি সম্ভব ব্যাগ গুছিয়ে নিতে হবে। সময় মাত্র ২দিন। অনেক তারাহুরা করে সব গুছিয়ে নিলো প্রেম।
আজ শুকুরবার সকাল ৯টাই প্রেম ঘুম থেকে উঠে দেরি না করে রেডি হয়ে অসহায় বাবা মার কাছ থেকে কেঁদে কেঁদে বিদাই নিলো বাবা-মার বেকার ছেলেটি। আজ যেন সে দেখছে আসলে তার বাবা-মা তাকে কতোটা ভালো বাসে। যাই হোক হাতে সময় কম। তাই বাবা মাকে সালাম করে ঝটপট গাড়ীতে উঠে পরলো। সাথে তার মেজো খালু। প্রেমের মনে যানি অজানা ভয় হাতছানি দিতেছে। আবার মনে আনন্দও লাগে। বিদেশ যাচ্ছে তাই।
দুরের জার্নি করে ঢাকায় পোঁছার পর অফিস কর্মকর্তারা জানালো যে আগামীকাল তার ফ্লাইট। তাই তারা একরাতের জন্য একটি হোটেলে উঠলো।।।। সংগে ছিলেন প্রেমের খালু আর তার এজেন্ট।
দুরের জার্নি করে ঢাকায় পোঁছার পর অফিস কর্মকর্তারা জানালো যে আগামীকাল তার ফ্লাইট। তাই তারা একরাতের জন্য একটি হোটেলে উঠলো।।।। সংগে ছিলেন প্রেমের খালু আর তার এজেন্ট।

0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন